এই লজ্জা রাখবো কোথায় ! বেশীরভাগ বাঙালী নিজ স্বার্থে ইসলামের বিধান স্বীকারই করেনা । তাহলে তুমি কি মুসলিম থাকলে?
হ্যাঁ মানুষ মাত্রই ভুল যেমন আমরা গান শুনি ,বেপর্দা চলি আরো ছোট খাটো অনেক ইসলাম বহির্ভূত কাজ করি । কিন্তু এটা যে আমাদের ভুল ,ব্যর্থতা মুসলিম হিসেবে এটা স্বীকার করতে হবে।
এখন যদি কেউ বলে পর্দা করতে হবে,ইনসাফের পথে চলতে হবে , নারী নেতৃত্ব সমগ্র গোষ্ঠীর জন্য হারাম,শরীয়া আইন চালু করা হবে , তাহলে অনেকে মুসলিম হয়েও তাদের পার্সোনাল এটাক শুরু করে , সেকুলারিজমের নাটক আর আড়ালে নিজের স্বার্থ(নারী স্বাধীনতার নামে নারিবাদীর আন্দোলন )। ইসলামী বিধানের তীব্র বিরোধিতা করতে দেখা যায়
তুমি মুসলিম হলে ইসলামী বিধান মানতে বাধ্য, ইসলামী মৌলবাদ মানতে বাধ্য,
যদি না মানতে পারো নিজ স্বার্থে যেইসব বিধান পরে সেগুলা মানো অন্যগুলা মানবানা,তাহলে তুমি নামে মুসলিম । মানে তুমি তো আর কোনোভাবেই মুসলিম থাকলে না। তারপরেও মুসলিম ক্লেইম কেন করতে যাও! তোমাদের এই স্বার্থবাদী মানসিকতার জন্যই দুর্নীতিবাজ,সন্ত্রাসী,চোর,বাটপার,নিকৃষ্ট মানুষ সারা দুনিয়াতে ক্ষমতায় বসে।
আমি ক্লান্ত আসে পাশে এত ভন্ড, মুনাফেক,কাফির,ইসলামবিদ্বেষী দেখে।
আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না আসে পাশে কত ইসলাম বিদ্বেষী মানুষ আছে ,নাম ধারী মুসলিম ইসলামের বিধান নিয়ে কিছু বললেই আপনি তাদের চোখে জঙ্গী,কারণ তাদের তাদের স্বার্থ(তথাকথিত স্বাধীনতা,অর্থ,ক্ষমতা...) হাসিলে বিধান বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এটা তারা চায়না।
বেশিরভাগ জেনে শুনে বিরোধিতা করবে আপনি হাজার বুঝান তারা বুঝবেনা, আগে ভাবতাম দজ্জাল সত্যি সত্যি আসলেও কি মানুষ তার অনুসরণ করবে ,জাহান্নামে যাবে জানার পর ও!
সেই প্রশ্নের উত্তর এখন চোখের সামনে স্পষ্ট।
অনেকে সমানে ইসলামী বিধানের বিরোধিতা করবে আবার বলবে যা করিনা কেন এটা বান্দা আর আল্লাহর মধ্যকার ব্যাপার ,বাস্তবে তারা মৃত্যু পরবর্তী জীবন নিয়ে এতটুকুও চিন্তা করেনা
অনেকে আবার একেবারে চুপ , দেখবেন জালেম যতই অন্যায় ,অপরাধ করুক তাদের চোখেই পড়েনা। কিন্তু আপনি প্রতিবাদ করলে আপনারই ভুল ধরবে (আপনাকে মুনাফিক বলবে, আরও অনেক ন্যারেটিভ আছে ),এই শ্রেণীর মানুষ ন্যায় অন্যায় অনেক খানিই বোঝে কিন্তু অত্যন্ত ভীতু , অন্তরে মোহর মারা
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, মানুষের কল্যাণেই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অন্যায় কাজে বাধা প্রদান করবে।’ (সূরা আল ইমরান, (৪), আয়াত, ১১০)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোনো অন্যায় হতে দেখলে যেন হাত দিয়ে তা প্রতিহত করে। যদি তা না পারে, তবে কথা দিয়ে; তাও না পারলে অন্তর দিয়ে (ঘৃণা করবে)। এটি ঈমানের দুর্বলতম স্তর।’ (মুসলিম, হাদিস, ৭৪)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ করে বলছি, ‘তোমরা অবশ্যই ভালো কাজে মানুষকে আদেশ দেবে এবং অবশ্যই অন্যায় থেকে নিষেধ করবে। যদি তা না করো তা হলে আল্লাহ তোমাদের ওপর তার পক্ষ থেকে শাস্তি প্রেরণ করবেন। এরপর তোমরা তার নিকট প্রার্থনা করলেও তিনি কবুল করবেন না’ (তিরমিজি, হাদিস, ৪০৬)।
এই দুনিয়ায় সব নয়, করুক যত অন্যায় নিজের হিসাব নিজেকেই দিতে হবে।
অনেকে দূরদর্শী কিছু চিন্তা করেনা কোন পথে দেশ সমাজ আগালে শয়তানের নিয়ম কায়েম হবে ,সমকামিতার মত আরও অপসংস্কৃতি সমাজে ঢুকবে
কোন পথে গেলে নূন্যতম শরীয়ার আইনের আলো,মজলুমের সুরক্ষা হবে এগুলা বুঝতে পারেনা ।যাইহোক
নিজের ভুল স্বীকার করা উচিৎ তাই বলে বিধানই ভুল এটা মনে করলে তুমি মুনাফেক ,এদের আমি প্রচুর ঘৃণা করি।এক সময় দুনিয়াতে আমি থাকবোনা কিন্তু এই পোস্ট থেকে যাবে ,অনেকের বিবেক জাগ্রত করতে হয়তো সাহায্য করবে। এক সময় আমি প্রায় নাস্তিকতার দিকে চলে গেছিলাম ,তার পরে প্রায় সব ধর্ম নিয়েই কমবেশি জ্ঞান অর্জনের সুযোগ হয়েছে,আমি ইসলামী মতাদর্শে ফিরে আসার পিছনে অনেক দিক,অনুভব, কিছু অলৌকিক বিষয় আছে। সবাইকে জন্মগত ধর্মের অনুসারী না থেকে নিজের জ্ঞান ,বুদ্ধি,বিবেক দিয়ে চিন্তা করে ধর্মের কি প্রয়োজন আছে না নাই জানার চেষ্টা করা উচিৎ
আর ইসলামে বিশ্বাসী হলে:
“যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার করে না, তারা কাফির।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৪৪]
“যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার করে না, তারা যালেম।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৪৫]
“যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার করে না, তারা ফাসিক।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৪৭]
“বস্তুতঃ কাফিররাই প্রকৃত যালেম।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৫৪]
“তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টা বিদ্রূপের বস্তু বানিয়ো না।”
( সূরা আল-বাকারা ২:২৩১)
“তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে উপহাস করছিলে? অজুহাত দিও না। তোমরা তো ঈমান আনার পর কুফরি করেছ।”
( সূরা আত-তাওবা ৯:৬৫–৬৬)
যদি তোমরা শুন যে আল্লাহর আয়াতসমূহ নিয়ে কুফরি বা উপহাস করা হচ্ছে, তাহলে তারা অন্য প্রসঙ্গে না যাওয়া পর্যন্ত তাদের সঙ্গে বসো না।
( সূরা নিসা ৪:১৪০)
একটা মানুষ চুরি করবেনা ,বাটপারি করবেনা ,মিথ্যা বলবেনা, মাদক গ্রহণ করবেনা,ভেজাল দিবেনা, ইভটিচিং,রেপ ,গুম, খুন,সন্ত্রাস ,কোনো ধরনের অনৈতিক কাজ করবেনা , কখন ?
ঠিক তখনি যখন তার ভিতর নৈতিক শিক্ষা থাকবে।
নৈতিক শিক্ষা কি?
নৈতিক শিক্ষা হচ্ছে সকল ধর্মের শেখানো কিছু নিয়ম কানুন,যার ফলে মানুষ কোনটা ঠিক,ভুল বুঝতে পারে যাতে নিজের জন্য অন্যের কষ্ট না হয়।
মৌলবাদ হচ্ছে কোনো আদর্শিক বিশ্বাস
ধর্মে বিশ্বাসী হলে নৈতিক শিক্ষা ( divine rule) বা বিধান যা কোনোভাবেই অস্বিকার করতে পারবেন না । এটাই সমাজ নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি
কিছু মানুষ আছে তারা কোনোভাবেই বিশ্বাস করেনা যে তারা নৈতিক শিক্ষা অনুসরণ কারী দলের কাছে বেশি নিরাপদ ।
অপর দিকে স্বার্থের,চেতনার উপর টিকে থাকা শাসক গোষ্ঠী কি অনুসরণ করবে ? নিশ্চয় দুর্নীতি কারণ তাদের আসল উদ্দেশ্যই স্বার্থ লাভ। যেখানে স্বার্থ থাকে সেখানে কোনো নিয়ম কানুন থাকেনা। আর স্যাটানিক ধর্মের মূলনীতি ও হচ্ছে কোনো নিয়ম কানুন মানতে হবেনা ,যতই অন্যের কষ্ট হোক।
এখন একটা উদাহরণ দিই , নারীবাদীদের দরকার সকল প্রকারের স্বাধীনতা যেমন অশালীন পোশাক,মাদক,অপসংস্কৃতি প্রচার, আরও অনৈতিক কাজের স্বাধীনতা । তাদের এই চাওয়ার পিছনে কি আছে? স্বার্থ ।
এখন তাদের কথা আমরা যা ইচ্ছা তাই করবো আমাদের কেউ কিছু বলতে পারবেনা , যেমন ধরেন রাতভর বারে পার্টি করবে । স্বার্থ ভিত্তিক সরকার গঠন হলে কোনো নিয়ম কানুন চলেনা, চলে শুধু ক্ষমতার আর টাকার জোড়। তাহলে নিরিবিলি জায়গায় একাকী কোনো নারী ধর্ষণ,গুম,খুন করলে তাদের বাঁধা দেওয়ার মতো কিছু নাই। ক্ষমতার জোড়ে বিচার তো হবেই না ।
অপর দিকে নৈতিক শিক্ষা অনুসরণ কারী শাসক গোষ্ঠী কোনোভাবেই অনৈতিক কাজে প্রশ্রয় দিতে চাইবেনা। তাছাড়াও শুরুতেই বলা মানুষকে অন্যায় করতে একমাত্র নৈতিক শিক্ষায় আটকাতে পারে,বিবেক বাঁধা দিতে পারে।
যদি আপনার নৈতিক শিক্ষার বিধানে ভয় হয় তাহলে আপনার ভিতরে ঈমানের দুর্বলতা আছে আপনি নিজের স্বার্থের নিয়ম অনুযায়ী চলতে চান।আপনার মাধ্যমে অন্যের ক্ষতি হওয়া স্বাভাবিক।
এই সামান্য জীবন আর কত দিনের ? জন্মালে মরতে হবে এটাই স্বাভাবিক। তারপরও নিজ স্বার্থে ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার জন্য অন্যায়ের সমর্থন করবেন?
আমাদের আশেপাশের অনেক মানুষ আছে দেখবেন জেনে শুনে অন্যায়ের সমর্থন করে(বর্তমান আওয়ামীলীগ),নিজেদের স্বাধীনতার জন্য নিজের ধর্মের দুর্বলতা খোঁজা শুরু করে(নারীবাদী,মডার্ন মুসলিম নারী)। খুঁজে না পেলে ধর্মগ্রন্থই ভুয়া দাবি করে যেমন আমি কোরআন মানি হাদীস মানিনা ।
বাংলাদেশের দারিদ্রতার সবচেয়ে বড় কারন দুর্নীতি, অনিয়ম,দেশের টাকা বিদেশ পাচার। অনেকেই নিজ স্বার্থে এমন দল সমর্থন করছে যাতে আগের মত দুর্নীতি, চাঁদাবাজি,সিন্ডিকেট,পশ্চিমা ও ভারতীয় অপসংস্কৃতি, অশালীন পোশাক,মাদক, তথাকথিত নারীদের স্বাধীনতার নামে তাদের ভোগের পন্য বানানো(পোশাক আর স্বাধীনতার লোভ মেয়েদের এসব বোঝার ক্ষমতা অন্ধ করে ফেলতেছে) , ইসলাম বিদ্বেষ,সকল ধর্মের নৈতিক শিক্ষা দুনিয়াবি স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে তাই নিয়ম কানুন উপেক্ষা,সকল পণ্যে ভেজাল ,,,,,,,, এসব চলমান রাখতে পারে।
মানুষ মাত্রই ভুল , সব দলের ,মানুষের কার্যকলাপে ভুল থাকতেই পারে তাই বলে অন্যায় সমর্থন করবেন কেন! আপনার উচিৎ দুর্নীতি বা খারাপের পাল্লা কম সেদিকে সমর্থন জানানো
একদল মানুষ আছে তাদের ন্যায় অন্যায় বোঝার ক্ষমতায় নাই,তারা এত বেশি চিন্তাও করেনা ,শুধু নিজের জীবন নিয়ে চিন্তা করে,আশেপাশে যা দেখে শোনে তাতেই প্রভাবিত। সমাজ নিয়ে চিন্তা করা তো উচিৎ ,তারা না করলে যারা তাদের মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের উচিৎ যেমন সংবাদ মাধ্যম।
এই সামান্য জিবনে আর কি এমন স্বার্থ হাসিল করে আপনার লাভ হবে? এই দুনিয়ায় কেউ কারো নয় এখনই মারা গেলে সমাজ, প্রিয়জন আপনাকে ছেড়ে আগায়ে যেতে বাধ্য । জেনেশুনে অন্যায় সমর্থন করা মানুষ হয় প্রত্যক্ষ নাহয় পরোক্ষভাবে শয়তানের অনুসারী। স্যাটানিক ধর্মের মূলনীতি হচ্ছে " আপনি যেকোনো কিছু করতে স্বাধীন,অন্যান্য ধর্মের দেওয়া নৈতিক শিক্ষা উলঙ্ঘনই এই ধর্মের মূলনীতি"
আর বিশ্বাসী হলে আমাদের ঈমান এত দূর্বল হওয়া উচিৎ নয় যে সামান্য দুনিয়াবি স্বার্থে ঈমান ত্যাগ করে অন্যায়ের সমর্থন করবেন
সব কিছুর হিসাব দিতে হবে, আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতে হবে।
Epstein files এর এতবড় ঘটনাতে নারীবাদীরা চুপ , শুধু তাদের আন্দোলন করতে দেখবেন পর্দা করতে বললে ,শালীন ভাবে চলতে বললে, এই সমস্ত শয়তানের গোলাম ,মা বাবার শাসনের অভাবে বড় হওয়া কুলাঙ্গার মেয়েদের বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকুন 
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বিবাদে অন্যায়মূলক কারও সাহায্য করল, সে আল্লাহর গজবে পতিত হলো।’ (আবু দাউদ: ৩৫৯৮) অন্য হাদিসে তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো জালিমের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে চলে, অথচ সে জানে যে ওই ব্যক্তি জালিম, তখন সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়।’ (মিশকাত: ৪৯০৮)
Epstein files হলো এমন একটি ফাইল যেখানে-
৩ মিলিয়নের বেশি পৃষ্ঠা, দুই হাজারের উপরে ভিডিও এবং প্রায় ২ লক্ষ্যের মত ছবিযুক্ত এই ফাইলে এমন ব/ র্বর/ তা উঠে এসেছে, যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। এ নথির তথ্যগুলোতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালীদের নাম এবং অপকাজের বিবরণ আছে যারা কণ্যা শিশুদের বিভিন্ন দেশ থেকে পা/চা*র করে বছরের পর বছর ধ*র্ষ/ণ করে গেছে।কেবল ধ*র্ষ/ণ করেই খান্ত হয়নি কণ্যা সন্তানদের বেছে বেছে রো/স্ট করে খে*য়ে*ছে/ন।হ্যাঁ, সেসব ইভেন্টে তারা মানুষ হয়েও মানুষের বা/চ্চা/র মাং/স খে/য়ে/ছে। এসব প্রভাবশালীদের ভেতর ডো-না/ল ট্রা ম্প, বিল গেই টস, ইলো ন মা স্ক, সৌদির কিছু আমিররা সহ, বিশ্বের কোটিপতিরা জড়িত।এমনকি প্রতিবেশীদেশের নরেন্দ্র মুদিও জড়িত।মুদি তো কোনো এক ইভেন্টের ভোজ সভায় নৃত্যকর্মেও রত ছিলো।এক কথায়- Epstein files হলো প্রভাবশালী সয়তানগুলোর ক্ষুদ্র আমলনামার প্রমাণ।যা অ্যাপস্টেইন নামক ( নিজেদের লোকই!) লোকের দ্বারা লিক হয়।এরকম শতশত অ্যাপস্টেইন আছে যাদের কাজ হলো এরকম ব্রোথেল তৈরি করা। তারপর সমস্ত সাইকো পার্ভাট প্রভাবশালীদের কাছে পাঠিয়ে আনন্দ দেওয়া। এবং নিজের স্বার্থে সেগুলোর গোপন রেকর্ড রেখে দেওয়া (পরবর্তীতে থ্রেট হিসেবে ব্যবহারের জন্য)।এরকমই অসংখ্য নথি রয়েছে যেগুলো এখনও অপ্রকাশিত।বা প্রকাশ করা যায়নি।যেগুলো হয়তো এর চেয়েও ভয়ঙ্কর।তবে অচিরেই সব বেড়িয়ে আসবে।
কারণ পাপ বাপকেও ছাড়ে না...
মোটকথা- ওয়েস্টার্ন কালচারের সাথে জড়িত প্রত্যেকেই এসব ধ/র্ষণ, খু/ন এবং ন*ষ্টামির সাথে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত।না! সবাই মানুষ খে/কু না, তবে মানুষ খে কু দের তেলাতে ব্যস্ত।এসব তেলবাজদের ভেতর বাদ নেই আপনাদের চিরোচেনা খেলোয়ার সহ মিডিয়া জগৎের কিংবা আরব আমিরাতের দুলালেরাও। এরাই তারা, যারা ওয়েস্টার্ন কার্লচার লালন করা হাস্যোজ্জ্বল প্রাণী! অর্থাৎ আম্রিকা যারে ভালো বলতাছে ধরে নিবেন সেওও এসব অপকর্মে সরাসরি জড়িত। আমি তো আলাভোলা মানুষদের জন্য আমার মতো সরল বাক্যে বুঝানোর চেষ্টা করলাম।আরো বিস্তারিত জানতে গুগুল/ উইকিপিডিয়া ঘাটুন।বিস্তারিত তথ্য ছবি/ ভিডিও গুলো দেখলে ঘৃণা আর বমিতে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে.....
দিন শেষে মোল্লাদের কথাই সত্যি হলো ।
যারা নারীদেরকে স্বাধীন, স্বাবলম্বী করতে চাইতো। তারাই নারীদের বিক্রি, নির্যাতন ও সব ধরনের অপকর্ম করতোMore details
এই ছবির মানুষটার নাম doza cat. এটা কোনো Ai না। এটা তার রিয়েল ছবি।
Doze cat বিখ্যাত গায়িকা যিনি শয়তানের কাছে নিজে সোল বিক্রি করে দিয়েছে। এরকম সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মানবতাবাদী, নারীবাদী অনেকেই শয়তানের পূজারী, যারা নিজেদের রুহকে শয়তানের কাছে বিক্রি করে দেয়। এবং এতে তাদের কী লাভ হয়, তারাই ভালো জানে।
বিশ্বের গোপন সংস্থার প্রতিটা সদস্যই হয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যারা হার্ডকর শয়তানের পূজারি।
আপনারা জানলে অবাক হবেন, আমাদের দেশেও বহু শয়তানের পূজারি আছে। পশ্চিমাদের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তারাও তাদের ছোল বিক্রি করে। কথাগুলো শুনলে হাস্যকর মনে হলেও, ইহা বাস্তব।
এদের একটা মূল মন্ত্র আছে। দুনিয়াটা হবে শয়তানের।
প্রত্যেক দেশেই তাদের উইং তৈরি করে রেখেছে। যারা এই এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। ট্রা-ন্সজেন্ডার তাদের একটা কমন এজেন্ডা। অনেক এজেন্ডার মধ্যে এই এজেন্ডার সাথে সবাই কম বেশি পরিচিত।
আপনারা জানেন বাংলাদেশে ট্রা-ন্সজেন্ডা নামে ছেলে থেকে সুস্থ মাথায় অপারেশনের মাধ্যমে নারী সাজছে।
আপনারা এদের অনেককেই চিনেন এই দেশে। এদের নিয়ে অনেক শাহাবাগী, সেকুলাররা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। এম্বাসিতে গোপনে যাওয়া আসা করছে। কোটি কোটি ডলারের খেলা। এরা বেশিরভাগই ইসলামবি-দ্বেষী। কারণ তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রধান বাঁধাই হচ্ছে ইসলাম। ফেসবুকে এদের লেখা অনেকেই পড়েন।
ওদের একটাই এজেন্ডা, দুনিয়াটা তারা করতে চায় শয়তানের...।
পশ্চিম| রা হলো বিকৃত মস্তিষ্কের। অথচ এরাই আমাদের সভ্যতার সবক দেয়। আর আমরাও অজ্ঞতার ন্যায় গিলে যাচ্ছি।
কিন্তু আইয়ামে জাহিলিয়াতে কি মেয়েদের, বিশেষত বাচ্চা বাচ্চা কিশোরী মেয়েদের রেইপ করা হতো? তাও কোনো সুপার পাওয়ার লিডার?
কায়সার-কিসরারাও কি কিশোরী মেয়েদের তথা কন্যা শিশুদের বিভিন্ন দেশ থেকে পাচার করে এনে বছরের পর বছর ধর্ষণ করে গেছে কি তখন?
মানুষ হয়ে মানুষের বাচ্চার মাংস খাওয়ার নজির কি তখনও পাওয়া যায়?
না। আইয়ামে জাহিলিয়াত বলে যেই সময়টাকে আমরা চিনি, সেই সময়েও এমন কিছু ঘটেছে বলে আমরা তেমন একটা জানি না।
কিন্তু এই বিংশ-একবিংশ শতাব্দীতে এসবই ঘটছে যুগের পর যুগ। যারা কি না আইয়ামে জাহিলিয়াত কেউ হার মানিয়েছে।
এই ঘটনাগুলো তারাই করেছে, যারা সভ্যতার রক্ষাবকচের ভেক ধরে, দেশে-দেশে যারা নারী অধিকার-শিশু অধিকারের সবক দিয়ে বেড়ায়, সেই সব মোড়লরাই ঘটিয়েছে এবং ঘটিয়ে যাচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিল গেইটস, ইলন মাস্ক থেকে শুরু করে বিশ্বের এই সকল মোড়লরা যা করেছে— তা শুনে, পড়ে, দেখে একটা মানুষও সুস্থ-স্বাভাবিক থাকতে পারবে না।
এরা ছোটো ছোটো কন্যা শিশুদের ধর্ষণ ও খুন করেছে। কেবল ধর্ষণ ও খুন করেই থেমে থাকেনি। বরং বেছে বেছে রোস্ট করেও খেয়েছে।
মানুষ হয়ে মানুষের বাচ্চার মাংস খাওয়ার এই লিস্ট থেকে বাদ যায়নি আমাদের প্রতিবেশীদেশের নরেন্দ্র মোদিও।
একটা ভিডিওতে দেখা গেল মোদি সেই ভোজ সভায় নেচে নেচে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্যদের আনন্দও দিয়েছিল।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, Epstein's files হলো আধুনিক দুনিয়ার ক্ষমতাবানদের অন্ধকার জগতের একটি সীমিত দলিল মাত্র। যা অ্যাপস্টেইন নামক লোকের দ্বারা লিক হয়।


0 Comments